রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরুতে জসপ্রিত বুমরাহ'র বোলিং তোপে মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়েছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু ডেভিড মিলার এবং ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের অনবদ্য ৯৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় তারা।
মিলার-স্টাবসের তাণ্ডব ও বুমরাহ'র রেকর্ড
ডেভিড মিলার মাত্র ৩৫ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। এছাড়া ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ এবং শেষদিকে ট্রিস্টান স্টাবস মাত্র ২৪ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের এক বিধ্বংসী ক্যামিও খেলেন। যার সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রানের একটি বিশাল চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ভারতের হয়ে জসপ্রিত বুমরাহ ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন। এই ম্যাচে তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে টপকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ার দারুণ এক রেকর্ডও গড়েন।
ভারতীয় ব্যাটারদের অসহায় আত্মসমর্পণ
১৮৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়া বোলারদের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। বিশেষ করে কেশব মহারাজের স্পিন বিষে নীল হয় স্বাগতিকরা। তিনি এক ওভারেই হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং এবং আর্শদীপ সিংকে সাজঘরে ফিরিয়ে ভারতের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন।
"২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের কাছে হারের যে ক্ষত দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল, আজ যেন ভারতের মাটিতেই তার কড়া জবাব দিল তারা। ভারত মাত্র ১৮.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শিবম দুবে একাই লড়াই করার চেষ্টা করলেও তা দলের বিশাল হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। "
সংক্ষিপ্ত স্কোরবোর্ড:
| দল | স্কোর | টপ পারফর্মার |
|---|---|---|
| দক্ষিণ আফ্রিকা | ১৮৭/৭ (২০ ওভার) | মিলার ৬৩ (৩৫), ব্রেভিস ৪৫ (২৯); বুমরাহ ৩/১৫ |
| ভারত | ১১১/১০ (১৮.৫ ওভার) | শিবম দুবে ৪২* (৩৪); মহারাজ ৩ উইকেট (এক ওভারে) |
ম্যাচের ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী।